সরকারি স্কুলে ভর্তির নীতিমালা-২০২৭ প্রকাশ — ক্যাচমেন্ট ৪০%, কোটা ১৪%, বাকিটা পরীক্ষা-লটারিতে

মূল খবর
গজরীর নিয়মে এবার ভর্তির দরজা খুলবে তিন দরজা দিয়ে। প্রথম দরজা ক্যাচমেন্ট: ঢাকা মহানগরীর সরকারি বিদ্যালয়গুলোতে আসনের ৪০ শতাংশ থাকবে স্কুলের চারপাশের এলাকার শিশুদের জন্য। কোন ঠিকানা কোন স্কুলে পড়বে, তার নকশা আঁকবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। বাকি ৬০ শতাংশ — ওপেন, যে কেউ লড়তে পারবেন।
দ্বিতীয় দরজা কোটা। নীতিমালার ১৭ ধারায় পাঁচ রকম সংরক্ষণ, মোট ১৪ শতাংশ: মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ৫ শতাংশ, সহোদর–সহোদরাদের ৩ শতাংশ, যমজ ভাই–বোনদের ২ শতাংশ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের ২ শতাংশ, আর মন্ত্রণালয়-দপ্তর-সংস্থার কর্মীদের সন্তানদের ২ শতাংশ (১+১)।
ছোট হিসাব, বড় ফাঁদ: সহোদর আর যমজ কোটার সুযোগ এক পরিবারের সর্বোচ্চ তিন সন্তান পর্যন্ত। আর কোনো কোটায় যোগ্য প্রার্থী না মিললে আসন খালি রাখা যাবে না — নিয়ম মেনে উন্মুক্ত পুলে যোগ হয়ে যাবে। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদনের সময় সত্যায়িত কপি দিতে হবে, ভর্তির দিন দেখাতে হবে মূল কপি।
তৃতীয় দরজা পরীক্ষা আর লটারি। ১ম শ্রেণিতে শিশু পরীক্ষার চাপ না পায় — থাকবে ডিজিটাল লটারি। ২য় থেকে ৯ম শ্রেণি? ভর্তি পরীক্ষা। আর ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে একটা আলাদা সুবিধা আছে: স্বতন্ত্র সরকারি প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পাস করা শিশুদের জন্য মোট আসনের ১০ শতাংশ আলাদা করে রাখা।
আদালতের যে প্রেক্ষাপটটা জানা দরকার
সব স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে ৭ অক্টোবর হাইকোর্টে রিটও করা হয়েছিল। দেওয়ানি উত্তেজনা — কিন্তু ১৪ অক্টোবর অবকাশকালীন বেঞ্চ রিটটা কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়ে দিয়েছে, নিয়মিত বেঞ্চে যেতে বলে। মানে আপাতত সরকারের নিয়মই দাঁড়িয়ে: এক নম্বর ক্লাসে লটারি, বাকিতে পরীক্ষা।
আপনার জন্য মানে
ভর্তির বিজ্ঞপ্তি আসার আগেই তিনটা কাজ করে ফেলুন: বাসার ঠিকানা কোন স্কুলের ক্যাচমেন্টে পড়ে সেটা যাচাই করুন (অধিদপ্তরের তালিকা প্রকাশ হলে আমরা জানাব এখানেই)। কোটার দাবি থাকলে কাগজপত্র গুছিয়ে রাখুন — বিশেষ করে মুক্তিযোদ্ধা সনদ। আর ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে সরকারি প্রাইমারির ছেলেমেয়ে? ওদের তো ১০ শতাংশ দরজা আলাদাই খোলা।
সূত্র: শিক্ষা সংবাদ, দৈনিক শিক্ষা, দৈনিক শিক্ষা (রিট) — বিস্তারিত ও অফিসিয়াল প্রজ্ঞাপন মূল সূত্রে দেখুন।
লেখক
শিক্ষা২৪ নিউজরুম ডেস্ক
শিক্ষা২৪-র ডেস্ক থেকে সরকারি বিজ্ঞপ্তি, বোর্ড-ঘোষণা ও শিক্ষা-সংবাদের যাচাইকৃত প্রতিবেদন।
প্রকাশ:

মন্তব্য
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনারই হোক।